সামনে এল তিন সেরা পুরুষের নাম

0
25

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: পুরুষ মানেই সমাজের চোখে কিছু বৈশিষ্টে উজ্জ্বল। তারাই সাধারণত হয়ে থাকেন গৃহকর্তা। পুরুষ মানেই কেমন যেন তার মধ্যে একটা কাঠিন্য থাকবে, সে প্রকাশ্যে কাঁদতে পারে না, উচ্চকিত হাসতেও পারে না। আর নারী মানেই কমনীয়তা। কিন্তু কজন জানে শুধু নারী নয়-পুরুষরাও সমাজে এবং পারিবারিকভাবে যথেষ্ট অত্যাচারিত নিপীড়িত ও অবহেলিত হয়ে থাকেন। পরিসংখ্যান তো তাই বলে। এমনই কিছু সাধারণ পুরুষ, বিভিন্ন পেশার পুরুষ এবং অবহেলিত নিপীড়িত পুরুষদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘সেরা পুরুষ ২০১৯’।

অল বেঙ্গল মেনস ফোরাম এবং ফর এভার ফর ইউ-এর যৌথ আয়োজনে ১ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় আইসিসিআর-এ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পুজোর সেরা পুরুষ প্রতিযোগিতা। অভিনব কতগুলো পর্বের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হল স্থানাধিকারীদের। প্রতিযোগীদের মধ্যে বিভিন্ন পেশার পুরুষদের পাশাপাশি ছিলেন ভিকটিম (পারিবারিকভাবে অত্যাচারিত, অবহেলিত) ও সাধারণ পুরুষরাও। যেমন কর্পোরেট আইনজীবী, ব্যাঙ্ককর্মী, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির চাকুরে থেকে উঠতি মডেলও। যাদের বয়স সীমা ২৩ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত।

চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে তিনজনকে। সেরা পুরুষ ২০১৯ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন দেবাশিস চক্রবর্তী। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক। দ্বিতীয় হয়েছেন অর্ণব বসু। তিনি পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী এবং সংগীতশিল্পী। তৃতীয় স্থানাধিকারী প্রত্যুষ সাহা এমএনসি তে কর্মরত। সেরা পুরুষ বেছে নিতে বিচারকের আসনে ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুমিত মুখার্জি, বোস ইনস্টিটিউট মলিকুলার মেডিসিন এর প্রধান অধ্যাপক গৌরীশংকর শাহ, তারাতলা ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্টের প্রাক্তন উপাচার্য দেবাশিস দাস, বাজাজ আলিয়ান্স এর জোনাল হেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ন্যাশনাল সেফটি এবং সিকিউরিটি হেড সোমা সেনগুপ্ত।

এদিন পুজোর সেরা ১০ জন উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করা হয়। শো স্টপার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত এথলিট প্রবীর সরকার। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাশিস কুমার, পিলু ভট্টাচার্য।

sweta

(Visited 4 times, 1 visits today)