সংকট বাড়ল ডিকে শিবকুমারের, ১৭ সেপ্টেম্বর ইডি হেফাজতে থাকছেন কংগ্রেস নেতা

0
13

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ আর্থিক তছরূপের অভিযোগে ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হয়েছিলেন কর্ণাটকের বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা দলের ক্রাইসিস ম্যানেজার ডিকে শিবকুমার। পরদিন, তদন্তকারী সংস্থা ইডির তরফে ১৪ দিনের হেফাজত চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু দিল্লি হাইকোর্ট শিবকুমারের  ১০ দিনের ইডির হেফাজত মঞ্জুর করেছিল। আজ, শিবকুমারকে আদালতে তোলা হলে, আবার ১৭ সেপ্টেম্বর নাগাদ ইডি হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেন বিচারপতি।

তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিকে শিবকুমারকে গ্রেফতার করে ইডি (ED)। তদন্তকারী সংস্থার যুক্তির পাল্টা শিবকুমার দাবি করেন, অপরাধ স্বীকার না করা মানেই অসহযোগিতা করা নয়। শিবকুমারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি মতে, “অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করছেন না, সেটাকে কি অসহযোগিতা বলা যায়? ব্যক্তিগত স্বাধীনতা কোথায়”? পি চিদাম্বরমকে গ্রেফতার করে সিবিআই, তাঁর পক্ষেও আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি।

ইতিমধ্যে, শিবকুমারের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে কর্ণাটকসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ করে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, শিবকুমারের গ্রেফতারি কেন্দ্রের “প্রতিহিংসার রাজনীতি” এবং “ব্যর্থ নীতি ও অর্থনীতির দুরবস্থা থেকে নজর ঘোরানো”-র পদক্ষেপ।


ডিকে শিবকুমার সিদ্ধারামাইয়া সরকারের পাশাপাশি এএইচডি কুমারস্বামীর জোট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। কর্ণাটক হাইকোর্টে তাঁর করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ হয়ে যায়, এবং গ্রেফতারি থেকে তাঁর সুরক্ষাও মঞ্জুর হয়নি, তারপরেই গ্রেফতার হন তিনি।

গত বছর ডিকে শিবকুমারসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের মামলা দায়ের করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাঁর বাড়িসহ ৬০টি এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ কোটি টাকা “হিসাব বর্হিভূত” আয়ের সন্ধান মেলে বলে দাবি করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে কোটি টাকার কর ফাঁকি এবং হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়।

৩০ আগস্ট, শুক্রবার দিল্লি উড়ে আসেন কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার। চারদিন ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ৩ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার তাঁকে, বিশেষ বিচারক অজয় কুমার কুহারের এজলাসে তোলা হয়। ১০ দিন ইডির হেফাজতের পর দিল্লি হাইকোর্ট আবার তার হেফাজতের মেয়াদ বাড়াল।

sa.hamid

(Visited 1 times, 1 visits today)