এক ঘরে হতে পারে পাকিস্তান!

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গিদের আর্থিক সাহায্য বন্ধ করতে বলা হয়েছে  পাকিস্তানকে। আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ) এর প্লেনারি সেশনে ইতিমধ্যে যা ইঙ্গিত মিলেছে, তাতে বোঝা যায়, সদস্য দেশগুলি মনে করছে, জঙ্গিদের অর্থসাহায্য বন্ধ করতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি পাকিস্তান।পাকিস্তানের কাজে মোটেই সন্তুষ্ট নয় ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স।  ফলে তাকে একঘরে করা হতে পারে। সেই সঙ্গে পাঠানো হতে পারে ডার্ক গ্রে অর্থাত্‍ গাঢ় ধুসর তালিকায়।

[আরও পড়ুন: চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য কোনও শক্তি কথা বললে পরিমাণ ভয়াবহ হবে, হুঁশিয়ার জিনপিংয়ের]

উল্লেখ, ২০১৮ সালের জুন মাসে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করা হয়। এর পরের পর্যায়টি হল তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা। কিন্তু ধূসর ও কালোর মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী পর্যায় আছে। তা হল গাঢ় ধুসর তালিকা।  কোনও দেশকে ওই তালিকায় ফেলা মানে তাকে শেষবারের মতো সতর্ক করা হচ্ছে। প্যারিসের এই নজরদারি সংস্থাটি পাকিস্তানকে ধূসর তালিকায় রাখে এবং ২০১৯ সালের অক্টোবরের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্যে ওই দেশকে সময় দেয়। এই সতর্কবার্তাও দেওয়া হয় যে পাকিস্তান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না করতে পারলে তারাও ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

টাস্ক ফোর্সের প্লেনারিতে যে যোগ দেওয়া আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সব সদস্য মিলে পাকিস্তানকে একঘরে করে দিতে পারে। তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে FATF. কালো তালিকা বা ‘ব্ল্যাক লিস্ট’ এবং ‘গ্রে লিস্ট’-এর মাঝামাঝি একটি অবস্থান হল ‘ডার্ক গ্রে লিস্ট’। যার অর্থ হল ওই দেশটির প্রতি একটি কড়া সতর্কতা জারি করা, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশটি উন্নতির শেষ সুযোগ পায়, জানিয়েছেন এক আধিকারিক।

গত সেপ্টেম্বর মাসের ১৮ তারিখ শেষ হওয়া একটি বৈঠকে FATF একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, পাকিস্তান, ইরান সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলি চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। এমতঅবস্থায় পাকিস্তানকে যদি কালো তালিকাভুক্ত করা হয় তাহলে বিশ্ব অর্থনীতির বাজারে বড়সড় ধাক্কা খাবে ইমরানের দেশ।আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। ফলে পাকিস্তানের বর্তমান আর্থিক অবস্থা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এখন অত্যন্ত খারাপ আর্থিক অবস্থায় রয়েছে পাকিস্তান।

১৯৮৯ সালে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নজর রাখার জন্যে এই সংস্থা এফএটিএফ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে অর্থ জোগানো এবং সন্ত্রাস সংক্রান্ত অন্যান্য আশঙ্কার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।

গত বছরের জুনে প্যারিসের এই নজরদারি সংস্থাটি পাকিস্তানকে গ্রে তালিকা অর্থাৎ ধূসর তালিকায় রাখে এবং ২০১৯ সালের অক্টোবরের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্যে ওই দেশকে সময় দেয়। সেইসঙ্গে এই সতর্কবার্তাও দেওয়া হয় যে পাকিস্তান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না করতে পারলে তারও ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

(shreyashree)

 

 

(Visited 23 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here