দীর্ঘস্থায়ী রোগ সারাতে নিজের নাবালিকা মেয়েকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলল বাবা

0
50

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। অনেক ডাক্তার দেখালেও কোনও কাজ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে হতাশায় ভুগছিলেন। এমনকি চিন্তা করার কারণে মানসিক ভারসাম্যহীনও হয়ে পড়েছিল অসমের বাকসা জেলার তামুলপুর এলাকার বছর ৪৫ এর বীরবল বড়ো। শেষমেশ নিজের দীর্ঘস্থায়ী রোগ সারাতে তাঁর ২ বছরের নাবালিকা মেয়েকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলল। যার ফলে নদীতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে সেই নাবালিকা মেয়ের। ঘটনায় অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত নাবালিকার মা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ অভিযুক্ত বীরবলের নামে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুনঃ ‘দিদিকে বলো’ তে ফোন করে ধান বিক্রির টাকা পেলেন বর্ধমানের চাষী

পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগপত্রে বীরবলের স্ত্রী জুনু বড়ো উল্লেখ করেছেন, শনিবার সন্ধেয় মেয়েকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে গিয়েছিল বীরবল। পরে একাই বাড়ি ফিরে আসে। মেয়ে কোথায় গেল তা জানতে চাইলে প্রথমে কোনও উত্তর দিতে চায়নি সে। পরে জানায় নিজের শিশুকন্যাকে সে স্থানীয় বোরলা নদীতে ফেলে দিয়ে এসেছে। একথা শুনেই স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স(এসডিআরএফ)-এর দপ্তরে ফোন করে সাহায্য চান জুনু। সঙ্গে সঙ্গে এসডিআরএফের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটার সন্ধানে তল্লাশি শুর করেন। যদিও ততক্ষণে প্রাণ হারিয়েছে একরত্তি মেয়েটি।

আরও পড়ুনঃ “কাশ্মীরের মতো বাংলাকেও ঠান্ডা করে দিন”, অমিতকে আর্জি সব্যসাচীর

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরায় বীরবল জানিয়েছে ভগবান তার স্বপ্ন এসে এই কাজ করার নির্দেশ দেন। তাই সেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যদিও প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বীরবলের মানসিক ভারসাম্যহীনতার সুযোগে কোনও ওঝা বা গুনিন তাকে এই বুদ্ধি দিয়েছে। এদিকে এই ঘটনার কথা জানাজানি হতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় তামুলপুর এলাকায়। ধৃত বীরবলের কড়া শাস্তির দাবিতে সরব হন স্থানীয় বাসিন্দারা।

MIJANUR

(Visited 20 times, 1 visits today)