জেঠমালানির প্রয়াণে শোকবার্তা আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | September 8, 2019 | 8:14 pm

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনীত অসুখে ভুগছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিখ্যাত আইনজীবী ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রাম জেঠমালানি৷ ৯৬ বছর বয়সে রবিবার সকাল পৌনে ৮টা নাগাদ নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জেঠমালানি৷ তাঁর মৃত্যুতে শোকবার্তা জানিয়েছেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন টুইট করে মোদি বলেন, “রাম জেঠমালানি জি’র ইন্তেকালে ভারত একটি ব্যতিক্রমী আইনজীবী এবং আইকনিক পাবলিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে, যিনি আদালত এবং সংসদে উভয় জায়গাতেই সমৃদ্ধ অবদান রাখতেন। তিনি বুদ্ধিমান ও সাহসী ছিলেন। যেকোন বিষয়ে নিজেকে তিনি সাহসের সাথে প্রকাশ করা থেকে কখনও নিজেকে বিরত রাখতেন না।”

আরও পড়ুনঃ প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রাম জেঠমালানি

প্রধানমন্ত্রীর পরে জেঠমালানির প্রয়াণে শোকবার্তা জানিয়েছে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল ও রাজ্যপাল জগদীশ মুখী। এদিন রাজ্যপাল মুখী বলেন, জেঠমালানি একজন “মহান সংসদ সদস্য” ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী সোনোয়াল বলেন, তিনি একজন “দক্ষ ও দূরদর্শী নেতা” নেতা ছিলেন।
রাজ্যপাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, জেঠমালানি ছিলেন একজন বিশিষ্ট আইনজীবী এবং একজন মহান সংসদ সদস্য, যিনি দেশের আইনী ও রাজনৈতিক দৃশ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিলেন। তিনি আরও বলেন, “তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথে দেশ একজন মহান জননেতা ও একজন মানুষকে হারাল। তিনি একটি সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার রেখে গেছেন যা অবশ্যই তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুনঃ প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম জেঠমালানির বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী সোনোয়াল বলেন, জেঠমালানী দেশের বিচার ব্যবস্থা জোরদার করতে “গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা” রেখেছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু একটি “অপূরণীয় ক্ষতি”। তিনি আরও বলেন, জেঠমালানি বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের নিকটে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত অবদান রেখেছিলেন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকারের একাধিক পোর্টফোলিওধারী একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদে তিনি দেশেরও সেবা করেছিলেন”। তিনি বলেন, দেশ আজ একটি খুব মেধাবী, দক্ষ ও দূরদর্শী নেতাকে হারাল। পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মুখী ও সোণোয়াল জেঠমালানির বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন।

জেঠমালানী পুত্র মহেশ জেঠমালানী এবং একটি কন্যা রয়েছেন। তার অন্য কন্যা, রানী জেঠমালানি ২০১১ সালে মারা যান। অট্টল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের সময়ে জেঠমালানি কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী এবং নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

MIJANUR

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট