দশদিনের মধ্যে সংস্কারে হাত, নইলে শিলচর-হাফলং সড়ক ও পাহাড়লাইনে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ

আগামী দশ দিনের মধ্যে শিলচর-হাফলং ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়কের হারাঙ্গাজাও থেকে জাটিঙ্গা পর্যন্ত অংশে সংস্কারকাজে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (নাহাই) হাত না দিলে হারাঙ্গাজাওয়ের বাসিন্দারা শিলচর-হাফলং ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ও লামডিং-শিলচর ব্রডগেজ রেলপথে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ গড়ে তোলার হুমকি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার হারাঙ্গাজাওয়ের স্থানীয় বাসিন্দারা হারাঙ্গাজাও থানার ওসি মারফত ডিমা হাসাওয়ের জেলাশাসক অমিতাভ রাজখোয়ার উদ্দেশে এক স্মারকপত্র প্রদান করেছেন। জেলাশাসকের কাছে প্রদত্ত স্মারকপত্রে হারাঙ্গাজাওয়ের স্থানীয় বাসিন্দারা উল্লেখ করেছেন, শিলচর-হাফলং ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়ক হারাঙ্গাজাওয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। কারণ হারাঙ্গাজাওয়ের সঙ্গে বরাক উপত্যকা ও জেলা সদর হাফলঙের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। কেননা, লামডিং-শিলচর ব্রডগেজ রেলপথে নিউহারাঙ্গাজাও স্টেশনে একমাত্র শিলচর-গুয়াহাটি ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনের স্টপেজ ছাড়া আর কোনও ট্রেনের স্টপেজ নেই নিউহারাঙ্গাজাও স্টেশনে। তাই রেলপথে হারাঙ্গাজাওবাসী যোগাযোগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত।

অথচ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ শিলচর-হাফলং ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়ক দীর্ঘদিন থেকে সংস্কারে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে হারাঙ্গাজাও থেকে জাটিঙ্গা অংশ। কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে জাতীয় সড়কটি। এই অবস্থায় আগামী দশ দিনের মধ্যে যদি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সড়কটি সংস্কারে উদ্যোগী না হয় তা-হলে হারাঙ্গাজাওয়ের স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক এবং ব্রডগেজ রেলপথে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ গড়ে তুলবেন। আর এতে যদি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে তা-হলে এর জন্য দায়ী থাকবে সরকার, জেলাশাসকের কাছে প্রদত্ত স্মারকপত্রে উল্লেখ করেছেন হারাঙ্গাজাওয়ের বাসিন্দারা।

হারাঙ্গাজাওয়ের প্রবীণ নাগরিক ধনবাহাদুর ছেত্রি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে শিলচর-হাফলং জাতীয় সড়কটি বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকার পরও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সড়কটি মেরামতি নিয়ে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাই এবার বাধ্য হয়ে তাঁদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক মেরামতির দাবিতে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হচ্ছেন হারাঙ্গাজাওবাসী, জানান ধনবাহাদুর ছেত্রী।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *