ঘরের ছেলে কি ডাক পাবে তৃণমূলের বৈঠকে !

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: রাগে অভিমানে ঢাকঢোল পিটিয়ে গত ১৪ই অগাস্ট বান্ধবী বৈশাখীকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু বিজেপি যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুখে দিন কাটছিলনা। একপ্রকার ব্রাত্য ছিলেন।গেরুয়া শিবিরের অনেক নেতৃত্বরাই তাকে মন থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না।

মান অভিমানের পালা শেষ করে, দিদি ভাইয়ের মধ্যে জমে থাকা বরফ গলল ভাইফোঁটাতে। বৈশাখীকে নিয়ে একেবারে স্বশরীরে মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে হাজির হয়ে যান। দিদি হাত থেকে ভাইফোঁটাও নেন। মমতার সঙ্গে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। কিন্তু বেশকিছুক্ষণ হালকা কথাবার্তা হয়েছে তাঁদের। শুধু তাই নয় ভাইফোঁটার উপহার স্বরূপ কাননকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় ওয়াই ক্যাটগরির নিরাপত্তা।

৭ নভেম্বর তৃণমূলের বিধায়ক দলের বৈঠকে শোভন হাজির দেবেন কি? ৭ নভেম্বর দলের বিধায়কদের বৈঠক ডেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিয়ম অনুযায়ী, এখনও শোভনবাবু তৃণমূলের বিধায়কই। তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ওই বৈঠকে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ডাক পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর।

[আরও পড়ুন: আবার তৃণমূলে ফিরছেন শোভন!]

ভাইফোঁটায় মমতা-শোভন সাক্ষাতকে সৌজন্যের রাজনীতি বলে সাফাই দিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু শুক্রবার দিলীপের কথাতেই স্পষ্ট, শোভনের আশা আর করছেন না তাঁরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন,”কোনও দায়িত্বের কথা হয়নি। সক্রিয় কাজেও যুক্ত ছিলেন না। বিজেপিতে আসার পর একদিন এসেছিলেন রাজ্য দফতরে। সম্মান জানিয়ে দিয়েছিলাম। দলের কর্মসূচিতে ছিলেন না। আমি নিজেও ফোন করেছিলাম। রাস্তায় ১ টাকা কুড়িয়ে পেয়েছিলাম। দান করে দিলাম। এতে দলের কোন ক্ষতি হয়নি।”

অন্যদিকে, শোভন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভাইফোঁটার দিন কালীঘাটে গেলে মুখ্যমন্ত্রী শোভনের কাছে জানতে চান, কেন তিনি লেকে হাঁটতে যাচ্ছেন না। বৈশাখীর দাবি, এর উত্তরে শোভন বাবু জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণেই হাঁটতে যেতে পারছেন না তিনি।

সব বির্তক ফেলে এখন দেখার বিষয় তৃণমূলের বৈঠকেও ডাক পেতে চলেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। জোর গুঞ্জন এখন তৃণমূলের অন্দরে।

(shreyashree)

 

(Visited 13 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here