রূপচর্চার নানা উপকরণ

রূপচর্চার কয়েকটি উপকরণ দেখে নেওয়া যাক

রূপচর্চার নানা উপকরণ। রূপচর্চা বর্তমানে মেয়েরাই যে শুধু করা তা একদমই না। অনেক পুরুষকেও রূপচর্চা করতে দেখা যায়। তবে এখন রূপচর্চার উপকরণ হিসাবে নানা জিনিস ব্যবহার হয়ে থাকে। তেমনই কিছু উপাদানের কথা আলোচনা করা যাক।-

১) বাগানের ভিজে মাটির উপদ্রব শুধু নয়, শামুক এখন রূপচর্চার উপকরণ। শামুকের দেহ থেকে ক্ষরণ হওয়া চটচটে পদার্থ গুরুত্বপূর্ণ বায়োলজিক্যাল উপাদান।যা তৈলাক্ত ত্বক থেকে অ্যাকনে ও রিঙ্কল কমিয়ে ফিরিয়ে আনে হারানো জেল্লা।বিদেশে আবার কোনও কোনও স্পা তো এমন সুযোগও দেয়, যেখানে ত্বকের উপর ঘুরে বেড়ায় জীবন্ত শামুক। যাতে তাদের দেহ থেকে ক্ষরণ হওয়া মিউকাসের প্রলেপ পড়ে ত্বকে।
২) বিশ্বের মহার্ঘ্যতম খাবার ক্যাভিয়ার যা ত্বকের বয়স ধরে রাখতেও এই উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকে কোলাজেনের পরিমাণ বাড়াতেও সাহায্য করে এই উপাদান।
৩) বার্ড পু ফেশিয়ালের বা নাইটিঙ্গল ফেশিয়াল জাপানে উদ্ভুত এই ফেশিয়ালে পাখির মল, চালের গুঁড়ো আর জল মিশিয়ে মালিশ করা হয়। কিছু কিছু পাখির মলে বিশেষ এনজাইম বা উৎসেচক থাকে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকও হয়ে ওঠে চকচকে।
৪) বয়স ধরে রাখতে পাশ্চাত্যে প্রচলিত শিপ প্ল্যাসেন্টা ফেশিয়াল। এতে স্ত্রী ভেড়ার প্ল্যাসেন্টা বা গর্ভফুল থেকে স্টেমসেল নিয়ে মেশানো হয় সিরামে। সেটা দিয়ে করা হয় ফেশিয়াল।সিরামে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড আর পেপটিন সাহায্য করে হারিয়ে যাওয়া জেল্লা ত্বকে ফিরিয়ে আনতে।
৫) ক্রায়োথেরাপিতে বিশাল ফ্রিজে তিন মিনিট থাকতে হয় হিমশীতল তাপমাত্রায়। নর্ডিক ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোতে এই থেরাপি খুবই জনপ্রিয়। এর ফলে হরমোন ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। খেলোয়াড়রা প্রায়ই এই থেরাপি নেন।
৬) শরীরের উপরে খেলে বেড়াবে জীবন্ত ময়াল। সেই মালিশেই নাকি দূর হবে দেহমনের যাবতীয় টেনশন। চরম আতঙ্কের সরীসৃপই এনে দেবে মুশকিল আসান ফেশিয়াল। তবে আপাতত এই ভয়ঙ্কর সুন্দর সাপ মালিশ পাওয়া যায় ইজরায়েল, রাশিয়া, ফিলিপিন্স আর আমেরিকায়।
৭) ২৩ ক্যারাটের সোনা দিয়ে গোল্ড ফেশিয়াল যাতে থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ত্বক থেকে টক্সিন দূর করে। ত্বক থেকে মুছে দেয় রোদে পোড়া দাগ।
৮) মধ্যযুগ থেকেই বিয়ার রূপচর্চার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। বিয়ারের স্বাভাবিক উপাদান ঈস্ট সাহায্য করে ত্বকের পোরস-এর মুখ পরিষ্কার রাখতে। নির্জীব ত্বকে নতুন প্রাণ আনতে।
৯) ফ্লোটেশন থেরাপিতে আবার নুন জলে ভাসিয়ে রাখা হয়।এর ফলে ত্বকের ডোপামাইন এবং এন্ড্রোফিনসের
পরিমাণ বাড়ে।

(Visited 10 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here