আমেরিকায় অস্ত্র আইন কড়া করার বিপক্ষে এনআরএ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | August 10, 2019 | 8:24 pm

যুগাশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ‘২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে টেক্সাস এবং ওহায়োয় বন্দুকবাজ হামলার ঘটনাগুলিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাজনৈতিক মাত্রা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা।’ মার্কিন আগ্নেয়াস্ত্র আইন আরও কড়া করার পক্ষে সওয়াল জবাব করা প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের দিকে এ ভাবেই তোপ দাগল আমেরিকার দ্য ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ)।

উল্লেখ্য, আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির আগে আরও কড়া ভাবে ‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক’ করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন অনেকেই। যদিও অস্ত্র আইন কড়া করার পক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন চুপ ছিলেন, তবে বুধবার এই জোড়া হামলার ঘটনায় আহতদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আবশ্যিকতার কথা মেনে নেন।

যদিও গত ফেব্রুয়ারি মাসে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির আগে ক্রেতাদের সম্পর্কে বিশদে খোঁজ নেওয়ার বিষয়ে একটি বিল পাশ হয়েছিল হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস-এ। বিলটি আইনে পরিণত হলে অনলাইন ক্রেতা এবং আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে খোঁজখবর নেওয়ার সমস্যাও মিটে যাবে বলে দাবি করেন অনেকে। পাশাপাশি, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার দরখাস্তে তথ্য অসম্পূর্ণ থাকলে খোঁজ নেওয়ার সময়সীমা তিন দিন বাড়িয়ে দশ দিন করা নিয়েও একটি বিল পাশ করে হাউস। তবে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সেনেটে দু’টি বিলই আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তার উপরে আবার বছরের গোড়াতেই বিল দু’টির উপর ভেটো প্রয়োগের হুমকি দেয় হোয়াইট হাউস।

ওহায়ো এবং টেক্সাসের ঘটনার পরই রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাকনেলকে অস্ত্র আইনের বিষয়টি সেনেটে উত্থাপনের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন ডেমোক্র্যাটরা। এনআরএ-র পাল্টা দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো সংবিধান বিরোধী। তা ছাড়া এর ফলে যে বন্দুকবাজের হামলার মতো ঘটনা কমবে, তেমনটাও মনে করে না তারা।

এক বিবৃতিতে এনআরএ দাবি করেছে, হুজুগের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরা হামলার ঘটনাগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক রং মেশানোর চেষ্টা করছেন। এনআরএ এবং তার ৫০ লক্ষ আইন মান্যকারী গ্রাহকদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চক্রান্ত চলছে।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট