বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | August 9, 2019 | 5:54 pm

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কারোর পৌষমাস তো কারোর সর্বনাশ। এমন চিত্রই দেখা গেল গোটা দেশজুড়ে। দেশের এক প্রান্তে বৃষ্টি খুশির বার্তা বয়ে নিয়ে আসলেও অন্যপ্রান্ত বাণভাসী। উত্তর মধ্য ও পশ্চিম ভারতের বেশ কিছু অংশ জলের তলায়। বন্যায় বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র মধ্যপ্রদেশ কেরল কর্ণাটক ও অন্ধপ্রদেশ। লাগাতার টানা বৃষ্টির জেরে নাজেহাল হয়েছে দেশের উত্তর অংশ। প্রবল বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন ছিল গোটা উত্তরপূর্ব ভারত। বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই মেলেনি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অংশেরও। কিন্তু আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণ এলেও দেখা দক্ষিণবঙ্গের দেখা মেলেনি বৃষ্টির। বিগত সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে সপ্তাহান্তে বৃষ্টির মুখ দেখল দক্ষিণবঙ্গবাসী।

সূত্রের খবর কেরল ও কর্ণাটকে মৃতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়েছে। কর্নাটকের ৮টি জেলা, কেরলের ৬টি ও মধ্যপ্রদেশের ২২টি জেলা প্লাবিত। সরকারি তরফে হ্রাস টানা হয়েছে যানবাহন চলাচলে। ব্যহত হয়েছে বিমান পরিষেবা ও, কেরেলের অধিকাংশ অংশ জলের নীচে থাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কোচি বিমান বন্দর। জানাগেছে, মহারাষ্ট্রের ৬টি জেলা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্যা পরিস্থিতির জেরে তারমধ্যে রয়েছে সাঙ্গলী ও কোলাপুর জলের তলায় রয়েছে মুম্বাইও। প্লাবিত হয়েছে প্রতিবেশী রাজ্য গুজরাত ও। বন্যার পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় উদ্ধার কার্যে নামানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে আশ্রয় ও ত্রাণ শিবির।

সূত্রের খবর, দেশের নানা প্রান্তে বন্যা পরিস্থিতির নিয়ে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করে জরুরি বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়। বৈঠকে হাজির এন.ডি.আর.এফ এর প্রধান, সঙ্গে রয়েছে বায়ুসেনা উপকূল রক্ষা বাহিনী ও ভারতীয় নৌসেনার আধিকারিকরা। বন্যা বিপর্যস্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে এন.ডি.আর.এফ এর ৫৫টি দলকে। আজ সকালে পাঠানো হয়েছে আরও ১৯টি দলকে। দূর্গতের উদ্ধার কার্যে মোতায়েন করা হয়েছে দেড় হাজার সেনা। পাঠানো হয়েছে আরও ৩০টি নৌ বাহিনী ও উপকূলরক্ষা বাহিনীর দলকে। পরিস্থিতি অনুকূল হলে রবিবার থেকে খুলে দেওয়া হতে পারে কোচি বিমান বন্দর।

 

 

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট