প্রসাদ যোজনাভুক্ত ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির

0
20

প্রসাদ যোজনায় অন্তর্ভুক্ত মা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির, ডিপিআর মিললেই অর্থ বরাদ্দ করা হবে, সংসদে জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

আগরতলা: পর্যটনের বিকাশে প্রসাদ যোজনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির৷ উদয়পুরে মাতা ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির ভীষণ প্রসিদ্ধ৷ তাই, পর্যটন উন্নয়নে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ডিপিআর মিলতেই অর্থ বরাদ্দ করা হবে বলে লোকসভায় জানালেন পর্যটন রাষ্ট্রমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল৷

আজ লোকসভায় সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা ও বিজয় কুমার দুবে-র উত্থাপিত প্রশ্ণের জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, স্বদেশ দর্শন স্কীমের অন্তর্গত সারা দেশে পর্যটন ক্ষেত্রের প্রসারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ তাতে, আধ্যাত্মীক কেন্দ্রও স্থান পেয়েছে৷ তাঁর কথায়, রামায়না সার্কিট, কৃষ্ণা সার্কিট, বুদ্ধিষ্ট সার্কিট, তির্থাঙ্কর সার্কিট এবং সুফি সার্কিট এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷

প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল বলেন, তীর্থযাত্রা পুন, নবিকরণ এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে পর্যটন মন্ত্রক বিশেষ যোজনা এনেছে৷ প্রসাদ যোজনার অন্তর্গত ২৫টি রাজ্যের ৪১টি কেন্দ্র চিহ্ণিত করা হয়েছে৷ তিনি জানান, অন্ধ্রপ্রদেশের অম্রাবতি ও শ্রীসাইলাম, অসমের কামাক্ষ্যা, অরুনাচল প্রদেশে পরশুরাম কুন্ড, বিহারের পাটনা ও গয়া, ছত্তিশঘঢ়ে বালমেশ্বরী দেবী মন্দির, গুজরাতে দ্বারকা ও সোমনাথ, হরিয়ানায় গুরুদ্বারা নাদা সাহেব, হিমাচল প্রদেশে মা চিন্তপূর্ণি, জম্মু ও কাশ্মীরে হজরতবল ও কাতরা, ঝাড়খন্ডে দেওঘড় ও পারসনাথ, কর্ণাটকে চামুন্ডেশ্বরী দেবী, কেরালায় গুরুভায়ুর, চেরামান জুমা মসজিদ, মধ্যপ্রদেশে ওমকরেশ্বর ও অমরকান্টক, মেঘালয়ে বেবাদপারা, মিজোরামে আইজল, নাগাল্যান্ডে কোহিমা ও মুকুচুঙ জেলা, মহারাষ্ট্রে ট্রিম্বকাশ্বর, ওড়িশায় পুরি, পঞ্জাবে অমৃতসর, রাজস্থানে অজমের, তামিলনাডু কাঞ্চিপুরম ও ভেল্লাকানি, ত্রিপুরায় ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির, উত্তর প্রদেশে বারাণসী ও মথুরা, উত্তরাখন্ডে বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গাঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গে বেলুরমঠ৷

এদিন অতিরিক্ত প্রশ্ণ তুলে সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা পর্যটন বিকাশে ধার্মিক ক্ষেত্রের বিরাট ভূমিকা থাকায় বিশেষ যোজনার বিষয়টি জানতে চেয়েছেন৷ তাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে মন্দির ঘাট, নারকেলকুঞ্জ, আমবাসায় পর্যটন বিকাশে ৯৯৫০ কোটি মঞ্জুর করা হয়েছিল৷ তার মধ্যে ৭৪১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ঊনকোটি, জম্পুইহিলস, ভূবনেশ্বরী মন্দির, মাতাবাড়ি, নীর মহল, পিলাক প্রমুখ পর্যটন ক্ষেত্রে বিকাশে ৬৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে৷ রাজ্য সরকার ডিপিআর পাঠালেও অর্থ বরাদ্দ করা হবে৷

এদিন রেবতি ত্রিপুরার প্রশ্ণের জবাবে তিনি আরও জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় অনুষ্ঠিত বিভিন্ন মেলা কেন্দ্রীয় স্কীমের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব৷ সে-ক্ষেত্রে ত্রিপুরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আসলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷ তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রসাদ যোজনায় ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে৷ ত্রিপুরা সরকার ডিপিআর পাঠালেই অর্থ বরাদ্দ করা হবে৷

(Visited 3 times, 1 visits today)