সহযোগিতা অক্ষুণ্ণ রাখতে ভারত-বাংলাদেশকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে : রীভা গাঙ্গুলী

ঢাকা: পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতা যাতে ভবিষ্যতেও অক্ষুণ্ণ থাকে সে বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ।

সোমবার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

হাইকমিশনার বলেন, বিশ্বের পরম প্রতিকূলতার মধ্যেও একমাত্র ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ব্যক্তিগত দৃঢ়তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে রীভা গাঙ্গুলী দাশ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার পেছনে তাঁর অবদান প্রশংসনীয়।

এ সময় বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বিশ্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে অনন্য। প্রতিবেশী এ দুটি দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও পারস্পরিক বন্ধুত্ব এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। দ্বিপক্ষীয় এ সম্পর্ক এখন বিশ্বের জন্য অনুসরণীয়।

ভারত সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মোজাম্মেল হক বলেন, ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মিত্র বাহিনীর দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণার স্থান এবং যৌথবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সম্মাননা জানানোর জন্য এক হাজার ৫৯৫টি ক্রেস্ট সংরক্ষিত আছে। ভারত সরকার দ্রুততম সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে এ সম্মাননা প্রদানের সুযোগ করে দেবে মর্মে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, কিছু দ্বিপক্ষীয় সমস্যা থাকলেও দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে উল্লেখযোগ্য। দ্বিপক্ষীয় সমস্যাগুলো সমাধানে ভারত সরকার আন্তরিক হবে। ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদানের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য তিনি ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

(Visited 2 times, 2 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here