ফুঁসছে তিস্তা, জারি লাল সতর্কতা

0
10

রীতিমত ফুঁসছে তিস্তা, বিভিন্ন এলাকায় জারি লাল সতর্কতা  

দার্জিলিং: দার্জিলিংয়ে ধস নেমে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ফের ব্যাহত যান চলাচল। বৃষ্টির বিরাম নেই উত্তরবঙ্গে। কখনও ভারী তো কখনও অতি ভারী বৃষ্টি। ইতিমধ্যেই আগামী ২৪ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গ জুড়ে আরও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ফলে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

লাগাতার বৃষ্টিপাতে রীতিমত ফুঁসছে তিস্তা। আর যার জেরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে হলুদ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে, জলঢাকা অসংরক্ষিত এলাকাতেও হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, তিস্তা ব্যারেজ থেকে শুক্রবার সকালে ৩৫৮৬.৯০ কিউসেক জল ছাড়ায় জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সেচ দফতর। তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ব্যাহত এশিয়ান হাইওয়েজের কাজও।

দিন কয়েক আগে থেকেই ধসের কারণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গা। সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলা। ধসের জেরে সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সেই বিপর্যয় কাটার আগেই নতুন করে ধস নামে গরুমাথান-লামচিগোলা রোডে। এর ফলে শিলিগুড়ির সঙ্গে আরও অনেক এলাকার সঙ্গে যোগাযাগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল মুষলধারে বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গে। আর এই বৃষ্টির কারণেই বিভিন্ন এলাকায় ধস নামছে বলে খবর। বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টির কারণে ১০ ও ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামে। এই ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরেই পশ্চিমবঙ্গ-সিকিমের মধ্যে যাতায়াত চলে। ধস নামার ফলে দু’দিকেই এখন আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। যাঁরা সিকিমে গিয়েছেন, তাঁদের এখনই ফেরার কোনও পথ নেই। একইভাবে সিকিম যাওয়ার জন্যও দ্বার রুদ্ধ পর্যটকদের। পাশাপাশি ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কেও নেমেছে ধস।

সেবক কালিবাড়ির কাছে একাধিক জায়গায় ধস নামার ফলে কালিম্পংয়ের সঙ্গেও শিলিগুড়ির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হযে পড়ে। ডুয়ার্সের পর্যটকরাও সমস্যায় পড়েন শুক্রবারও পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক নয়। তা সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে আজ থেকে ডুয়ার্সে চালু হয়েছে ট্রেন।

(Visited 1 times, 1 visits today)