Lead NewsSlideTop Newsকলকাতা

৩৭০ ধারা ৩৫-এ প্রত্যাহারের পরই রাজ্যজুড়ে আঁটসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার এক ঐতিহাসকি দিনের সাক্ষী থেকেছে ভারত।শেষপর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা ৩৫-এ প্রত্যাহারের করেছে মোদী সরকার। এত দিন আমরা এক দেশে থেকেও আলাদা ছিলাম স্বাধীনতার ৬৯ বছর পর আমরা প্রকৃত অর্থে এক হলাম।

৩৭০ ধারা ৩৫-এ প্রত্যাহারের পরই সতর্ক থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এরপরই রাজ্যজুড়ে আঁটসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে সীমান্তে। সতর্ক কলকাতা পুলিশও। শহরের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে চালানো হচ্ছে বিশেষ নজরদারি। যেসব এলাকায় কাশ্মীরিরা থাকেন সেখানে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে ৷

কেন্দ্রের আশঙ্কা, এর জেরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়াতে পারে অশান্তি। সেজন্য দেশের প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে পাঠানো হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা । পশ্চিমবঙ্গেও পাঠানো হয়েছে ওই নির্দেশিকা । এরপরই রাজ্যের সব পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের নবান্নের তরফে সতর্ক করা হয় । কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে যেখানে যেখানে কাশ্মীরিরা থাকেন সেখানে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

কলকাতার বউবাজার, বড়বাজার, বেহালা, ঠাকুরপুকুর এবং বন্দর এলাকায় কাশ্মীরিরা থাকেন । মূলত ব্যবসা কিংবা পড়াশোনার জন্য আসেন তাঁরা। তাঁদের অভয় দিয়েছে পুলিশ । সেই সব এলাকায় কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে ৷ পিকেটিং ছাড়াও চালানো হচ্ছে নজরদারি। যে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে ৷ ওইসব থানা এলাকার পুলিশ অফিসাররা গিয়ে কাশ্মীরিদের নিজেদের নম্বর দিয়ে এসেছেন বলে লালবাজার সূত্রে খবর ।

এই পরিস্থিতিতে গোষ্ঠীসংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে৷ বিতর্কিত পোস্ট সরাতে ইতিমধ্যে ফেসবুক, টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কলকাতা পুলিশের কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর ৷ কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জাভেদ শামিম বলেন, “যে কোনও অশান্তি ঠেকাতে সতর্ক রয়েছে কলকাতা পুলিশ । সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে সোশাল মিডিয়াতেও ।”

চারিদিকের এই আশান্ত পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার বিলোপ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন বাংলার এই অভিনেতা।ভরত কল সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখলেন, ”আজ হঠাৎ মনে পড়ছে আমি একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত। চারিদিক থেকে শুভেচ্ছাবার্তা আসছে। যে নিজের জন্মস্থানকে ভুলে গিয়েছিল, কেবলমা্ত্র নিজের মানুষগুলোকে দেখতে কাশ্মীরে যেত। জম্মুতে যে নিজের লোকেদের মৃত্যু দেখেছে। সেখানে ৩৭০ ধারা আর নেই।”প্রথমবার অফিসিয়ালি ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য। আমি আমার সন্তানের জন্য কোনো আলাদা রাজ্য চাই না, বললেন ভরত কল।

সোমবার পরিচালক সুদেষ্ণা রায়ও মন্তব্য করেছিলেন কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে। তিনি বলেছিলেন, ”এখনই বলা যাচ্ছে না ৩৭০ ধারা বিলোপের পরে কাশ্মীরের পরিস্থিতি কতটা বদলে যাবে। তবে আমি শান্তি চাই, কাশ্মীরে যেন অশান্তির বাতাবরণ না থাকে সেটাই কামনা।”

 

 

 

 

 

(Visited 1 times, 1 visits today)

Tags

Related Articles

Back to top button
Close
Close