বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ

মল্লারপুরের মেঘদূত ক্লাবে বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ

বীরভূম: মল্লারপুর থানার অন্তর্গত মেঘদূত ক্লাব গত ৩০ জুন মধ্যরাতে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। বিস্ফোরণের পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। সিআইডি বোম স্কোয়াড থেকে ফরেনসিক দল একের পর এক তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মীরাও দফায় দফায় বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন। ওই ক্লাবে বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্তে এমনই মোড় নেয় যে, মল্লারপুর থানার ওসি টুবাই ভৌমিককে প্রথমে রামপুরহাট থানায় স্থানান্তরিত করা হয় এবং পরে তাঁকে বরখাস্তও করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে মল্লারপুর থানার ৪ সিভিক ভলেন্টিয়ারের উপর দায়িত্বে গাফিলতির কারণে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়।

এরপর চলতি মাসের ৭ তারিখ নাগাদ বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সেখ মিঠু নামে ৩৪ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে রাজমিস্ত্রির শ্রমিক, মল্লারপুরের রেলপাড়ের বাসিন্দা এবং ওই ক্লাবেরই সদস্য। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে মল্লারপুরে একটি ঝামেলা হওয়ার সময় থেকেই এই শেখ মিঠু বোমা আদান-প্রদানের কারবারের সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ জানায়, বিস্ফোরণের রাতে ক্লাবে ওই যুবকই বোমা রেখেছিল। এই বোমা রাখার ঘটনায় ক্লাবের আরও কয়েকজন সদস্য যুক্ত রয়েছেন বলে পুলিশের দাবি। যদিও পুলিশ ফরেনসিক রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। এরপর গতকাল রাতে ফের বীরভূমের মল্লারপুরে ক্লাবে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্লাবের কোষাধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম বিপ্লব দত্ত। তাঁর মল্লারপুরে কাঁসা পিতল বাসনের দোকান আছে।

রবিবার তাঁকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক দশ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই নিয়ে মল্লারপুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশের দাবি, যে আলমারিতে বিস্ফোরক রাখা ছিল সেই আলমারির চাবি থাকত ক্লাবের কোষাধক্ষ্য বিপ্লব দত্তের কাছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাতে মল্লারপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর ক্লাবের অন্যান্য সদস্যদের তরফ থেকে জানানো হয়, ধৃত বিপ্লব খুব ভালো ছেলে। পূর্বে কোনওদিন কোনও রকম ঝামেলার সঙ্গে যুক্ত ছিল না সে। এখন সবই তদন্তের বিষয়, পুলিশ তদন্ত করুক।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *