৩০ বছর পর গ্রেফতার কেউজাই

0
15

৩০ বছর পর পুলিশের জালে ধৃত, খুনের মামলায় অভিযুক্ত কেউজাই মগ

আগরতলা: দীর্ঘ ৩০ বছর পর খুনের মামলায় অভিযুক্তকে ত্রিপুরা পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে৷ ১৯৮৭ সালে বর্তমান দক্ষিণ জেলার শিলাইছড়ি এলাকায় নৃশংসভাবে খুন হয়েছিলেন তৎকালীন গ্রামপ্রধান অরুণবরণ চাকমা। ওই খুনের ঘটনায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে চারজনকে পুলিশ ওই সময় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু, কেউজাই মগ তখন পালিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল।

দীর্ঘ বছর পর গতকাল তাকে আমবাসা থানাধীন লালছড়া জুমিয়া কলোনি এলাকায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ এদিকে, ধৃত কেউজাই মগের আইনজীবী দীপঙ্কর দেবনাথের দাবি, ওই খুনের সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত অন্য চারজনই বেকসুর খালাস হয়েছেন৷

শিলাইছড়ি থানার ওসি জয়ন্ত মালাকার জানান, ১৯৮৭ সালে সংঘটিত ওই খুনের ঘটনায় তেমন কোনও নথি তাঁর কাছে নেই৷ শুধু ওয়ারেন্ট রয়েছে৷ এর ভিত্তিতে কেউজাই মগকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ তিনি বলেন, ওয়ারেন্ট অনুযায়ী ১৯৮৭ সালে শিলাছড়ি এলাকায় গ্রামপ্রধান অরুণবরণ চাকমা খুনে অভিযুক্ত বারবিল এলাকার শিলারদুয়ারের বাসিন্দা কেউজাই মগ পালিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল৷ তাঁর দাবি, দীর্ঘ সময় তাকে মিজোরামে আত্মগোপন করে থাকার প্রমাণ মিলেছে৷ গোপন সূত্রে প্রাপ্ত খবরে নাকি জানতে পেরেছেন, দামছড়া দিয়ে কাঞ্চনপুর হয়ে আমবাসা থানাধীন লালছড়া জুমিয়া কলোনি এলাকায় কেউজাই মগ আত্মগোপন করে রয়েছে৷

জয়ন্তবাবু জানান, ওই খবরের ভিত্তিতে আমবাসা থানার সহযোগিতায় গতকাল তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ আজ তাকে বিলোনিয়া সেসন কোর্টে তোলা হয়েছে৷ তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪৪৪/৪৪৮/৩২৩/৩০৪/৩৪ ধারায় মামলা হয়েছিল৷

এদিকে, ধৃত কেউজাই মগের আইনজীবী দীপঙ্কর দেবনাথ জানান, তার মক্কেলকে এক দিনের জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত৷ দীপঙ্করবাবুর কথায়, তাঁর মক্কেলনির্দোষ৷ কারণ, ওই খুনের ঘটনায় অন্য অভিযুক্তরা সকলেই বেকসুর খালাস হয়েছেন৷ আগামীকাল তাকে পুনরায় আদালতে তোলা হবে৷ আগামীকাল ওই খুনের মামলার সমস্ত নথি আদালতে জমা দিতে পুলিশকেনির্দেশ দিয়েছেন বিচারক৷

(Visited 1 times, 1 visits today)