শীলাবতী নদীতে জলের দাবী

অসীম বেরা, ঘাটাল: উলোট পুরান ‘ শীলাবতীতে জল চাইছে ঘাটাল।প্রবল বন্যায় ঘাটাল মহকুমায় ১ বছর আগে এই সময় শীলাবতীর জলে ত্রাহি ত্রাহি রব ওঠে, এবার উলট পুরাণ, জল চাইছে বন্যা প্রবন ঘাটালের চন্দ্রকোনা।   শিলাবতী নদীতে জলের দাবিতে প্রশাসনকে গণস্বাক্ষর আবেদন জমা দিল কৃষকরা। আর তাতে লেখা জলের দাবীতে হবে অবরোধ বিক্ষোভ। এমনকি জলের দাবীতে দিদি বলো তে মুখ্যমন্ত্রির কাছেও আবেদন করেছে তারা।  জানা যায় বর্ষা শুরু হলেও  প্রয়োজন মতো বৃষ্টি নেই, এমনকি নদী শুকিয়ে গেছে, তাই নদী লাগোয়া গ্রামের কৃষকরা চাষ করতে পারছে না।  বর্ষাকালের ধান ও সবজি চাষ না করতে পেরে দুশ্চিন্তায় দিন গুণছে চাষিরা। অবশেষে ব্লক প্রশাসনের কাছে, শিলাবতী নদীতে জল আনার জন্য লিখিত আবেদন জানাল তারা। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের।জানাযায় চন্দ্রকোনা ১ নং ব্লকের, বাঁকা, বাগপোতা, ভবানীপুর  ঝাড়ুল   সহ অধিকাংশ গ্রামের মানুষ শিলাবতী নদীর জলের উপর নির্ভর শীল। আর সেই নদীতে নেই জল,  চাষীরা মন্টু পাল,অনিল মণ্ডল বলেন” গ্রামের মানুষ চাষের উপর নির্ভরশীল, দীর্ঘদিন যাবৎ শিলাবতী নদীতে জল নেই, এমনকি আকাশে বৃষ্টি নেই। চাষ করব কিভাবে, তাই আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। অবিলম্বে গড়বেতা দিক থেকে বয়ে আশা শিলাবতীতে বাঁধ দিতে হবে, এই নদী   দুই ভাগে ভাগ হয়েছে, চন্দ্রকোনা ২ নং ব্লকের কেশাডাল এলাকায়, আর সেই নদীতে বাঁধ দিয়ে শিলাবতী নদীতে জল আনার ব্যাবস্থা করতে হবে। জল না আনতে পারলে পায় কয়েক হাজার পরিবারকে অনাহারে কাটাতে হবে। তাই লিখিত আবেদন জানিয়ে ছিলাম ব্লক প্রশাসনকে  রাজ্য সড়ক অবরোধ করার জন্য,কিন্তু প্রশাসন অনুমতি দেয়নি । যদি এই বিষয়ে চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অভিষেক মিশ্র বলেন “কৃষকরা একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখব,  কিভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আনা যায়, তা সেচ দফতরে  সাথে কথা বলবো। যদিও চাষিরা জানিয়েছ ৭ দিনের মধ্যে তাদের আবেদনপূর্ণ না হলে  তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

(Visited 7 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here