অবৈধ বালি চুরির প্রতিবাদে অবরোধ সাইথিয়ায়

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | August 7, 2019 | 8:35 pm

অমরনাথ দত্ত, বীরভূম: রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে বালি চুরির অভিযোগ উঠল দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাদের নাম পিন্টু মণ্ডল এবং বিধান মণ্ডল। এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে হেনস্তা হতে হয় বলে অভিযোগ এবং সেই অভিযোগে বুধবার সাঁইথিয়ার বনগ্রাম পঞ্চায়েতের মথুরাপুর গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান সহ গ্রামের বাসিন্দারা পথ অবরোধে নামে। অবরোধ চলে প্রায় তিন ঘন্টা।

জানা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে বালি চুরির ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার বনগ্রাম পঞ্চায়েতের মথুরাপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী ময়ূরাক্ষী নদী থেকে। ঘটনার কথা জানতে পেরে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান তুষার কান্তি মন্ডল প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে হেনস্থা করা হয়। পাশাপাশি তুষার কান্তি মণ্ডলের সহকর্মী আনন্দ বসাককে মারধর করা হয়। তপন রায় নামে আরও এক সহকর্মীকে ঠেলে ফেলে দেয় এবং আরও কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পঞ্চায়েত প্রধান তুষার কান্তি মণ্ডলের গাড়ির চাবি ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

এই ঘটনার বিষয়ে তুষার কান্তি মন্ডল জানান, “রাতের অন্ধকারে ওই দু’জন বালি চুরি করছিল। তারা যেখান থেকে বালি তুলছিল সেটা কোনও বালিঘাট নয়। এর প্রতিবাদ করাতে আমাদের উপর আক্রমণ করা হয়।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমার উপর কোপ মারার চেষ্টা করে। আমরা কোনক্রমে প্রাণে বেঁচে ফিরি।”

স্থানীয় গ্রামবাসী এবং এলাকার পঞ্চায়েত প্রধানের তরফ থেকে জানানো হয়, এইভাবে অবৈধ বালি চুরির বিষয়ে তারা সাঁইথিয়া থানায় এবং প্রশাসনিক কর্তাদের জানিয়েছে কিন্তু প্রশাসন পদক্ষেপ না নেওয়ায় তাদের আজকের পথ অবরোধ।”

স্থানীয় গ্রামবাসীদের পথ অবরোধে সাঁইথিয়া থেকে চৌহাট্টা যাবার রাস্তা দীর্ঘক্ষন অবরুদ্ধ হয়ে থাকে। এরপর সাঁইথিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করার আশ্বাস দেন। আশ্বাস পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায় তিন ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেয়।

তবে অভিযুক্ত বিধান মণ্ডলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং জানান, তারা তৃণমূল জেলা কমিটির সদস্য সাধন মুখার্জির অনুগামী। তাই তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট