ক্যাটলিনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন জলকন্যা সায়নী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | June 12, 2019 | 8:14 am
মায়ের সঙ্গে সায়নী

লক্ষ্মীশ্রী রায়, পূর্ব বর্ধমান: আমেরিকার ক্যাটলিনা জয় করে মঙ্গলবার মধ্যরাতে বাংলার মাটি ছুঁয়েছেন কালনার জলকণ্যা সায়নী দাস।রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন তিনি।সঙ্গে ছিলেন বাবা  রাধেশ্যাম দাস ও মা রূপালী দাস।এয়ারপোর্ট থেকে বেরোতেই তাদের ঘিরে  উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনা শুরু হয়ে যায়।শুভেচ্ছা জানান অনেকেই।কলকাতা থেকে কালনার বাড়িতে পৌঁছান রাত পৌনে তিনটে নাগাদ।বুধবার সকাল হতেই কালনা শহরের বারুইপাড়ার বাড়িতে উপচে পড়ে স্থানীয় মানুষজন থেকে প্রতিবেশী, ক্রীড়াপ্রেমী ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের ভিড়।সায়নীর বিরাট জয়ের কারণে মিষ্টিমুখ করিয়ে শাঁখ বাজিয়ে উলুধ্বনি দিয়ে মালা পড়িয়ে তাকে সম্বর্ধনা ও শুভেচ্ছা দেন পাড়ার মা ও বোনেরা।

ইংলিশ ও রটনেস্ট চ্যানেলের পর এইবার সায়নী দাস আমেরিকার ক্যাটলিনা জয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সারা বিশ্বকে।কারণ বুলা চৌধুরীর পর সায়নীই দ্বিতীয় বাঙালি কণ্যা হিসাবে ক্যটলিনা জয়ের ইতিহাস তৈরী করেন।সায়নীর এই লম্বা সফরে চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ থাকলেও বিরাট জয়ের আনন্দে  তা চাপা পড়ে গেছে।বুধবার সকাল থেকেই ফুলের মালা,পুষ্পস্তবক ও শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান সায়নী।এই ঘটনায় সায়নীও ভীষণ আনন্দে আপ্লুত হয়ে ওঠে। ক্যাটলিনার কনকনে ঠান্ডা জল ও ভয়াল ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার বিষয়ে সায়নীকে জানতে চাইলে সায়নী বলেন,‘প্রশান্ত মহাসাগর শান্ত হলেও আমাকে উল্টো স্রোতের মুখে পড়তে হয়।একসময় জলের মধ্যেই ফিডিং চলাকালীন বিশাল আওয়াজ হয়।তারপরেই দেখি আমার থেকে দশফুট দূরেই একটি বিশাল তিমি।মহাসাগরের বুকে এই ভয়ঙ্কর রূপ টিভিতে দেখলেও কাছের থেকে দেখার অভিজ্ঞতা ভয় লাগার মতোই।তারপরেই ডলফিনের সঙ্গে একসঙ্গে সাঁতার কাটা অভিজ্ঞতাও ভীষন ভালো।’রাতের অন্ধকারে প্রশান্ত মহাসাগরে নামার অভিজ্ঞতার বিষয়ে সায়নী বলেন,‘অন্ধকারের ভয় কাটাতে কালনার গঙ্গায় অর্থাৎ ভাগীরথী নদীর জলে আগের দিন সন্ধ্যায় নেমেছি ও পরের দিন সকালে উঠেছি।সেই অভিজ্ঞতাই ভীষণ কাজে লেগেছে।’যদিও পরের পদক্ষেপ সম্পর্কে সায়নী এখন কিছু বলতে চাননি।এই বিষয়ে তিনি পরে সিদ্ধান্ত নিয়েই জানাবেন বলে জানান।অন্যদিকে সায়নীর মা ও বাবা মেয়ের কঠোর পরিশ্রমে আরো একটি সফলতা ভীষণ আনন্দিত ও গর্বিত।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *