কাটমানি ইস্যুতে উত্তপ্ত মধ্য কলকাতা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | July 11, 2019 | 1:47 pm

কাটমানি কাণ্ডে নাম জড়াল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার ও বিধাননগরের কাউন্সিলরদের

কলকাতা: এবার কাটমানির নেওয়ার অভিযোগ উঠল মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার ও বিধাননগরে। এই দুই জায়গার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেই কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট এলাকার দেওয়ালে পোস্টার দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কলকাতা কর্পোরেশনের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দে কাটমানি কাণ্ডে অভিযুক্ত। অবিলম্বে টাকা ফেরৎ দিতে হবে। এই মর্মে বুধবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দু’টি গেটে এলাকার নাগরিকবৃন্দের নামে পোস্টার পড়েছে। কাউন্সিলর অবশ্য বিরোধীদের চক্রান্তের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন। যদিও এদিন বেলা গড়াতেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে ওই পোস্টারগুলি আর চোখে পরে না। অভিযোগ উঠেছে বিধাননগর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রীতা সাহার বিরুদ্ধেও। বাগুইহাটির অর্জুনপুরে একটি সেতু নির্মাণের জন্য কাটমানি খেয়েছেন রীতা সাহা বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। বুধবার সকালে অর্জুনপুরের ওই সেতুর সামনে দফায় দফায় বিক্ষোভও দেখান স্থানীয়রা। একইভাবে তিনিও সব অভিযোগকে অস্বিকার করেছেন।

চলতি মাসের ৫ তারিখ ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর জীবন সাহা বেআইনি নির্মাণে কাটমানি খেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল করার অভিযোগও উঠেছে। এই অভিযোগের বিরুদ্ধে সরব হয়েই এদিন ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান কলকাতা পুরসভায়। তার আগে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ করেন উত্তর কলকাতার সিঁথি এলাকার প্রমোটার সুমন্ত্র চৌধুরি। একই অভিযোগ উঠেছে, কলকাতা কর্পোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অমল চক্রবর্তী ও বিধায়ক সাধন পাণ্ডের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন কলকাতার নজরুল মঞ্চে পুর প্রতিনিধিদের এক সভায় কাটমানি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাটমানি নিয়ে থাকলে ফেরৎ দিতে হবে। এরপর থেকেই রাজ্যজুড়ে কাটমানি ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ হতে থাকে। কোথাও কাউন্সিলরের বাড়ি তো কোথাও পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে চড়াও হন সাধারণ মানুষ।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *