বাজেট ২০১৯: যুগশঙ্খ ডিজিটালকে কে কী বললেন…

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | July 6, 2019 | 4:00 am

সৌগত রায় (তৃণমূল কংগ্রেস):  যে বাজেটটা হয়েছে সেটা খুব খারাপ বাজেট। সবদিক থেকেই খারাপ হল। রেভিনিউয়ের দিক থেকেও খারাপ, এক্সপেন্ডিচারের দিক থেকেও খারাপ। রেভিনিউয়ের দিক থেকেও খারাপ বলার কারণ মধ্যবিত্তদের কোনও সুবিধা দেওয়া হয়নি। পেট্রোলের দাম ২ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকার বেশি তুললে ২ শতাংশ ট্যাক্স কাটা হবে। এছাড়া জিনিসপত্রের দামও বাড়ানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকার ধরে নিয়েছে ওরা শুধু প্রাইভেট সেক্টরকেই সুবিধা দেবে। প্রাইভেট সেক্টরগুলির উন্নতি করবে। তারাই চাকরি দেবে, তারাই এক্সপোর্ট করবে। সরকারের যে টাকার ঘাটতি হবে সেই টাকা পাবলিক সেক্টরে শেয়ার বেচে সেই টাকা তুলে নেবে। এক কথায় ভয়ংকর বাজেট।


সুজন চক্রবর্তী (সিপিআইএম): যে বাজেটটা পেশ হল সেটা মানুষের প্রতি আন্তরিক বাজেট নয়। জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হয়েছে। কর্মসংস্থানের কোনও দিশা নেই। পেট্রোল-ডিজেলের সেজ বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে ক্ষতি হচ্ছে। এই বাজেট একেবারে দিশাহীন বাজেট। আমার মনে হয়ে এই বাজেটের মধ্যে দিয়ে প্রাইভেট সেক্টরের জন্য সুবিধাজনক বাজেট। বড় বড় বিজনেসম্যানদের জন্য হয়তো সুবিধা হবে। কিন্তু সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে একেবারেই সুবিধাজনক নয়।


সায়ন্তন বসু (বিজেপি):  আমার মনে হয় এই বাজেট মধ্যবিত্তদের জন্য খুব ভালো বাজেট হয়েছে। বিশেষ করে লোনের উপর যে ইন্টারেস্ট কমিয়ে দেওয়া হয়েছে তার ফলে ঘর-বাড়ি বানানোর খরচ অনেকটাই কমবে। এই বাজেটের যুগান্তকারী ঘটনা হল এবার রেলওয়েতে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ হল। রেলওয়েতে এত টাকা বিনিয়োগ করা মানে দেশের অর্থনীতিটা একটা নতুন পর্যায় যাবে। উচ্চবিত্তদের উপর ট্যাক্সটা বেড়েছে। কাজেই আমার মনে হয় সামগ্রিকভাবে বাজেট খুব ভালো হয়েছে। ভারত মালা প্রকল্পে প্রচুর সড়ক তৈরির কথা বলা হয়েছে এটা ভালো সিদ্ধান্ত। পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়া নিয়ে বলব পেট্রোল-ডিজেলের দাম সব সময় ওঠা নামা করে। এখন এখন বেড়েছে, আবার কমে যাবে। বিরোধীরা বলছেন প্রাইভেট সেক্টরকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, আমি প্রাইভেট, পাবলিক বুঝি না দেশের ভালো হয়েছে কিনা সেটাই বড় ব্যাপার। আমার মনে হয় দেশের উন্নতির স্বার্থেই এই বাজেট হয়েছে।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *