৭ নভেম্বর থেকে রাজ্যে নিষিদ্ধ গুটকা এবং তামাকজাত পানমশলা বিক্রি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: পান মশলা এবং গুটখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে। আর এবার একই পথে হাঁটল পশ্চিমবঙ্গ। চলতি মাস থেকেই বাংলায় নিষিদ্ধ গুটখা ও তামাকজাত পানমশলা। বিক্রিতে একবছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা চাপাছে রাজ্য সরকার। কেউ বিক্রি করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেই গণ্য হবে। আগামী ৭ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিক্রি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গুটখা এবং পান মশলা। রাজ্যের ফুড সেফটি কমিশনার তপনকান্তি রুদ্র এই বিষয়ে বিজ্ঞাপ্তি জারি করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গুটখা এবং পান মশলায় তামাক এবং নিকোটিনের ব্যাপক ব্যবহার হয়। ফুড সেফটি এন্ড স্ট্যান্ডার্ড অ্যাক্ট ২০০৬ (food safety and standards act)-র ২৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, যে খাবারে তামাক এবং নিকোটিন থাকে তা প্রোহ্যাবিটেড।

২৫ অক্টোবর এই নিয়ে নোটিশ জারি করেছেন রাজ্যের খাদ্য সুরক্ষা কমিশনার তপনকান্তি রুদ্র। যে কোনও পন‍্য যাতে নিকোটিন আছে, তা তৈরি করা, মজুদ করা বা বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় করা হল। মানব শরীরের জন্য যা ক্ষতিকর সেই সব দ্রব্যে যদি অন্য কোনও ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ও এই নির্দেশ মানা না হয়, তাহলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এই নির্দেশিকায় সিগারেটের কোনও উল্লেখ নেই।

[আরও পড়ুন: মৃত্যু মুখ থেকে বহালনগরে ফিরলেন কাশ্মীরে জঙ্গিহানা অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী বাসিরুল সরকার]

গুটখা এবং তামাকজাত পানমশলার নেশা ক্রমেই বাড়ছে। জনগণের স্বাস্থ্যের পক্ষে যা ক্ষতিকারক। তাই এ রাজ্যে বিক্রি নিষিদ্ধ করা হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গুটখা ক্যান্সারের কারণ। গুটখার কারণে বহু মানুষ ওরাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে চালানো হয়েছে ব্যাপক প্রচার অভিযান। পান মশলা এবং গুটখার প্যাকেটের উপর লেখা থাকে বিধিসম্মত সতর্কীকরণ। কিন্তু তারপরও গুটখার সেবন কমেনি। ২ সপ্তাহ আগে পান মশলা বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। তবে শুধু বিক্রিই নয়, তামাক ও নিকোটিন জাতীয় দ্রব্য তৈরি করা, মজুত করা ও বিলি করার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

(shreyashree)

(Visited 31 times, 1 visits today)

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here