কাশ্মীরে ইন্টারনেট বন্ধ, চিন্তায় বিশ্বভারতীর কাশ্মীরি পড়ুয়া

বীরভূমঃ জম্মু-কাশ্মীরকে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর দুটি আলাদা আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পদক্ষেপ গ্রহণের আগে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে বিপুল পরিমাণ সেনা মোতায়েন করা হয় জম্মু-কাশ্মীর এলাকায়। হিংসাত্মক ঘটনায় আটক করা হয় সেখানকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের। সাময়িকভাবে পরিষেবা বন্ধ ইন্টারনেট। আর এর ফলেই কাশ্মীর থেকে বিশ্বভারতীতে পড়তে আসা বিশ্বভারতীর এক পড়ুয়া দুশ্চিন্তায়। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বিশ্বভারতীর কলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহঃ সৈয়দ টেলি।

তিনি জানান, “গত কুড়ি বছর ধরে আমি সেখানকার যে চিত্র আমি দেখেছি তাতে পরিবারের কাউকে দেখতে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারন সেখানে এই মুহূর্তে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে। সরকারের ইন্টারনেট এবং যোগাযোগ পরিষেবা বন্ধ রাখার ঘোষণায় বাবা-মা কারো সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। আর এরফলেই বেড়ে চলেছে দুশ্চিন্তা।” ওই ছাত্রীর কাছ থেকে আরো জানা যায়, ঘটনার প্রথম দেখে বেশ কিছু আর্থিক দিক থেকে সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ নিজের পরিবারের মতো তার পাশে দাঁড়িয়েছে। সে সবদিক থেকে এই মুহূর্তে তার কাছে কোন সমস্যা নেই, শুধু সমস্যা একটাই পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা।

এ কারণে তিনি দাবিও করেছেন, “ভারত সরকার যেন দ্রুত সাধারণ মানুষদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়।” সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভও রয়েছে। অভিযোগ, “সরকার এমন এমন নিয়ম বানিয়েছি যাতে আমাদের এই গণতান্ত্রিক দেশে রোবটের মত থাকতে হচ্ছে।”আর বর্তমান এই পরিস্থিতিতে সে বিশ্বভারতী ছেড়ে কাশ্মীর যেতে চায় না, একথাও জানিয়েছে। পড়ুয়ার বক্তব্য, “বিশ্বভারতী পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে শান্ত জায়গা। আমি এখানে একটি পরিবারের সদস্যের মতো রয়েছি। এই পরিস্থিতিতে আমি শান্তির বিশ্বভারতী ছেড়ে কাশ্মীর যেতে চাই না।”

(Visited 5 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here