গোমাংস ও শুয়োরের মাংস ডেলিভারি নিয়ে হাওড়ায় রাইডারদের বিক্ষোভের মুখে জোমাটো

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | August 11, 2019 | 6:36 pm

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: এবার রাইডারদের বিক্ষোভের মুখে পড়ল জোমাটো। গোমাংস ও শুয়োরের মাংস ডেলিভারি করব না। ইদের আগে এই দাবি নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য হাওড়ায় ধর্মঘটে সামিল হলেন জোমাটো কর্মীরা। তাঁদের দাবি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গরু ও শুয়োরের মাংস ডেলিভারি করবেন না তাঁরা।

হাওড়ার ডেলিভারি এক্সিকিউটিভদের অভিযোগ, তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গোমাংস ও শুয়োরের মাংস ডেলিভারি করতে বাধ্য করছে জোমাটো। তাদের কথায় কোনও কর্ণপাত করছে না সংস্থা। তার প্রতিবাদে সপ্তাহখানেক ধরে অনির্দিষ্টকালীন নেমেছেন তাঁরা।  উল্লেখ্য, সম্প্রতি জোমাটোর এক মুসলিম ডেলিভারি বয়ের হাত থেকে মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা অমিত শুক্লা খাবার নিতে অস্বীকার করায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল দেশজুড়ে। অমিত শুক্লা টুইটারে লেখেন, ‘হিন্দু রাইডার না দেওয়ায় খাবারের অর্ডার বাতিল করলাম। জোর করে ডেলিভারি দিতে পারেন না। ওরা অস্বীকার করায় রিফান্ডও চাইনি’। এরপরই ওই গ্রাহককে জোমাটো জানায়, ‘খাবারের কোনও ধর্ম নেই। এটাই ধর্ম।’

এরপরই জোমাটোর বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন নেটিজেনরা। একটি টুইট শেয়ার করেন তাঁরা। তাতে দেখা যাচ্ছে, হালাল মাংস না পাওয়ায় সংস্থাকে অভিযোগ করেছেন এক গ্রাহকরা। তাঁকে আশ্বস্ত করছে জোমাটো। নেটিজেনদের ওই অংশের প্রশ্ন, হালাল খাবারের বেলায় তো জোমাটো বলছে না, খাবারই ধর্ম। অন্যক্ষেত্রে ভিন্ন কেন? এর পাশাপাশি হালাল বা নন-হালাল আলাদা করে খাবারই চিহ্নিত করে কেন সংস্থা?এবার জোমাটোর ডেলিভারি এক্সিকিউটিভদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘কাউকে জোর করে ধর্মবিরোধী কাজ করাতে পারে না সংস্থা। এটা ঠিক নয়। এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট