বরাবাজারে প্রাচীন সাপ্তাহিক হাট স্থানান্তরিত করতে গিয়ে উত্তেজনা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | August 5, 2019 | 12:21 pm

গৌতম প্রামানিক, পুরুলিয়া: সঠিক পরিকল্পনার অভাবের খেসারত দিতে হচ্ছে বরাবাজারের সাধারণ মানুষ ও গ্রামীণ হাটের বিক্রেতাদের। প্রাচীন গ্রামীণ সাপ্তাহিক হাট অনুপযুক্ত পরিকলপনায় গড়ে তোলা কৃষক বাজারে পুলিশ দিয়ে স্থানান্তরিত করতে গিয়ে এক প্রকার রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বরাবজার।

 রবিবার, যথারীতি সাপ্তাহিক হাট বসার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের পণ্য দ্রব্য নিয়ে গাড়িতে, মোটর সাইকেলে, সাইকেলে, রিক্সা ভ্যানে করে বরাবাজারের ইন্দটাঁড় মাঠে হাজির হয়ে ছিলেন। আগে থেকে সেখানে মজুত ছিল বরাবাজার থানার পুলিশ, স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের লোকজন। দোকানদাররা পসরা নিয়ে হাটে বসতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। ব্যবসায়ীদের ব্লক কৃষক বাজারে স্থানান্তরিত করার জন্য জোর করতে থাকে পুলিশ। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে হাটের বিক্রেতাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। দীর্ঘক্ষন এই পরিস্থিতি থাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

    সাপ্তাহিক হাটটি বরাবাজার ব্লক সদরে অবস্থিত। কৃষক বাজারটি ব্লক সদর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে ঝাড়খন্ড সীমানা লাগোয়া স্থানে অবস্থিত। স্বাভাবিক ভাবেই ওই কৃষক বাজার নির্মাণ নিয়ে অসন্তুষ্ট স্থানীয় মানুষ। হাটে জামা কাপড়ের দোকানদার কুমরুদ্দিন আনসারি, আবুল শাহিদ আনসারি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘আজ তিন প্রজন্ম ধরে প্রাচীন এই হাটে বস্ত্র ব্যবসা করে আসছি। হঠাত্‍ তিন কিলোমিটার দূরে কৃষক বাজারে যেতে জোর করছে পুলিশ। আমরা কিছুতেই যাব না। ৭৯ বছরের এই হাটটি স্থানান্তরিত করার জন্য ব্লক প্রশাসন বা পুলিশ কেউই বরাবাজার নাগরিক কমিটিকেও জানায় নি বলে অভিযোগ। শেষ পুলিশ লাঠি চালিয়ে এক প্রকার জোর করে কয়েক জনকে কৃষক বাজারে স্থানান্তরিত করে। এদিন ঘটনায় তুষের আগুন জ্বলছে বরাবাজার। বিষয়টি নিয়ে ব্লক প্রশাসন এবং পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং জেলা পরিষদের তৃণমূলের সদস্যা সুমিতা মল্ল।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট