দিদিকে বলোয় আক্রান্ত বিজেপিরা, অভিযোগ করার নির্দেশ সায়ন্তনের

ঋষি কাশ্যপ, অশোকনগর
দিদিকে বলো নাম্বারে দিদিকে ফোন করে বলা হবে , এত হামলা হচ্ছে কেন ? মানুষের কাছে গেলে মানুষ তিনটে প্রশ্ন করবে । অর্থাত , দিদিকে বলো কর্মসূচি সফল করতে গেলে বিজেপির আক্রান্তদের অভিযোগের মুখে পড়তে হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসু।এদিন অশোকনগরে বিজেপির আক্রান্তদের দেখতে এসে দিদিকে বলো নাম্বারে ফোন করে অভিযোগ করার নির্দেশ দিলেন বসিরহাটের সাংসদ প্রার্থী সায়ন্তন বসু। ফলে কথিত প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক ছক কাটমানির পর দিদিকে বলো বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিরোধের মুখে পড়তে পারে । প্রশান্ত কিশোর কতটা বাঁচাতে পারবেন তৃণমূলকে প্রশ্নের জবাবে সায়ন্তনের কটাক্ষের মন্তব্য  প্রশান্ত কিশোর যে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন সেই স্কুলের পিন্সিপাল ছিলেন আমাদের সর্বভারতীয় সভাপতি। অশোকনগরে তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত মুসলিম পরিবারের সাথে দেখা করতে এসে এভাবেই  কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসু।
গত একুশে জুলাই অশোকনগর শ্রীকৃষ্ণপর পঞ্চায়েতের গিলা পোল এলাকায় বিজেপি করার কারণে বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং বাড়িতে বোমা মারার ঘটনায় আহতদের দেখতে শুক্রবার তাদের বাড়িতে আসেন রাজ্য বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু এবং ভারতী ঘোষ। আহতদের সাথে কথা বলেন এবং পাশে থাকার আশ্বস্ত করেন তারা।
সব শেষে সাংবাদিক দের উত্তরে সায়ন্তন বসু বলেন গ্রামে এত বোমা গুলি কি করে এলো। এখানে আইন বলে এখানে কিছু নেই। শান্তির রাজ্যে এত বোমা গুলি কোথা থেকে আসছে। অভিযোগ করা হলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। পাশাপাশি সায়ন্তন বসু কটাক্ষ্য করে বলেন, দিদিকে বলো নিয়ে কটাক্ষ্য করে বলেন দিদিকে বলো  নাম্বারে ফোন করে বলা হবে , এতো বোমা গুলি আসলো কি করে । আগামী দিনে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে থানা ঘেরাও করা হবে বলে জানান। সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির মত তৃণমূলের সক্রিয়তা নিয়ে বসিরহাটের সাংসদ প্রার্থী বলেন, তৃনমূল এখন ফেসবুক টুইটারে থাকবে। মানুষের কাছে গেলে কাট মানির টাকা ফেরত চাইবে মানুষ। প্রশান্ত কিশোর প্রহঙ্গে তিনি বলেন উনি যে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন ওই স্কুলের পিন্সিপাল ছিলেন আমাদের সর্ব ভারতীয় সভাপতি। পাশাপাশি তৃণমূলকে সতর্ক করে সায়ন্তন আরও বলেন, দিদিকে বলো মিশন নিয়ে মানুষের কাছে গেলে মানুষ তিনটে প্রশ্ন করবে,  কাটমানির টাকা কোথায় গেল ? গ্রামে বোমা গুলি কি করে এল আর সাত বছরে প্রতিশ্রুতির কি হল ? তার থেকে মানুষের কাছে না যাওয়াই ভালো । গাছ বাঁচাও মুখ্য মন্ত্রীর পদ যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন গাছ বাঁচাও না এখন তৃনমূল বাঁচাও মিছিল করতে হবে।
এদিন বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ বলেন, রাজ্যে আইন বলে কিছুই নেই। বোমা গুলির হামলা হচ্ছে অথচ অভিযোগ করলে গ্রেফতার হচ্ছে না। আইন কোথায় ? কেন্দ্রকে বলব বাংলা নিয়ে ভাবতে । বিজেপির সংখ্যালঘুরাও আক্রান্ত হচ্ছে
(Visited 2 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here