ধান্যকুড়িয়া হাসপাতাল চত্বরে জমা জলে তৈরি হচ্ছে ডেঙ্গু মশা, আতঙ্কে ধান‍্যকুড়িয়া বাসি

শ‍্যাম বিশ্বাস, উওর২৪পরগনা: রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে পরিকল্পনা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যে দিনের পর দিন বেহাল দশায় পরিণত হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য । অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করতে এসে, নতুন করে রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে ,সেটাই বলাযায় ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালের,শুধু চিত্রটা দেখে।

খোলা পাত্রে জল জমে থাকলে ডেঙ্গুর মশা জন্মায় । বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন ,যেখানে সেখানে আবর্জনা জমলে ডেঙ্গু মশা বৃদ্ধি পায় ।প্রচারে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। নামেই প্রচার চলছে, করছে টাকার অপচয়, কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু বাতলা ছাড়া আর কিছু নয়। আবার ও একবার প্রমাণ করে দিল ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালের চিত্র টা জলে থৈ থৈ হাসপাতাল চত্বর, দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে জল, সেই জলের উপর দিয়ে হাসপাতালে ইমার্জেন্সি বিভাগে রোগীর নিয়ে যেতে হচ্ছে । এছাড়া হাসপাতাল চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে ।জমা জল সেই জমা জল থেকে তৈরি হয়েছে, শ্যাওলা ও ডেঙ্গুর লাভা। অভিযোগ চিকিৎসা করতে আসা রোগীর আত্মীয় দের । চরম দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে । পরিষ্কার করা হচ্ছে না জমা জল ,দিচ্ছে না ব্লিচিং পাউডার, ব্যবহার করা হচ্ছে না মশা মারার কামান, জন্ম নিচ্ছে ডেঙ্গু মশা। আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হাসপাতাল চত্বর ।

চলছে চরম গাফিলতীতে ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতাল । রাজ্যে যেভাবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে, তার পরেও কোন গুরুত্বই দেখা যাচ্ছে না ধান্যকুড়িয়া হাসপাতালে। চিকিৎসক সুহান বিশ্বাস, বলেন ইতিমধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে। অনেক মানুষ আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছে হসপিটালে অনেকের আবার বাড়িতে চিকিৎসা চলছে। যাতে আর দ্রুত না বারে। তার জন্য আমরা সব রকম ভাবে জল জমা থেকে যত্রতত্র ময়লা যাতে না জমে তার সব রকম ব্যবস্থা করছি। বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা জল নিকাশি ব্যবস্থার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে, জ্বরে আক্রান্ত আসলেই তাদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে এলাইজা টেস্ট করানো হচ্ছে, তার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করছি।

পরিবেশবিদ ছন্দক বাইন বলেন প্রচুর রোগী দূরদূরান্ত থেকে এই হাসপাতলে আসে, চিকিৎসা করাতে। কিন্তু দেখা যায় অল্প বৃষ্টি হলেই হাসপাতাল চত্বরের জল জমে যায় ।পাম্প এর ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলো নিকাশি হয় না। জল ঠিক মতন ড্রেন দিয়ে যায় না। যার কারণে মশারা আতুর ঘর তৈরি হচ্ছে এই এলাকাগুলোতে।আমরা চাই অবিলম্বে চিকিৎসকরা দ্রুত ব্যবস্থা করুক । সাধারণ মানুষ একই দাবি করেছে, পাশাপাশি রোগীর আত্মীয়রাও। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সবুজ ঘাস,ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশ, এক কথায় বলা যায় ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ডেঙ্গু মশার তৈরি হওয়ার স্বর্গরাজ্য ।

(Visited 1 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here