অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৪৮তম জন্মবার্ষিকীতে টুইট মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা: আজ ৭ আগস্ট, চিত্রশিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৪৮তম জন্মবার্ষিকী । বুধবার এই বিশেষ দিনে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন টুইট বার্তার মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “চিত্রশিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রণাম ।” অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন তৎকালীন সময়ে একজন খ্যাতিমান ভারতীয় চিত্রশিল্পী, নন্দনতাত্ত্বিক এবং লেখক। সেই সময় তাঁর সাহিত্য চর্চাও ছিল যথেষ্ট উৎকৃষ্ট মানের ।


তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা ছিল আনুমানিক ছাব্বিশ। গল্প কবিতা চিঠিপত্র শিল্প আলোচনা যাত্রাপালা পুথি স্মৃতিকথা সব মিলিয়ে প্রকাশিত রচনা সংখ্যা প্রায় তিনশো সত্তরটি। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল ‘নবযুগ’ পত্রে ১৩১১ শ্রাবণে, ‘নবদুর্ব্বা’ নামে। রানী বাগেশ্বরী অধ্যাপক থাকার সময় ১৯২১-১৯২৯ সালের মধ্যে যে ঊনত্রিশটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন সেগুলি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৪১ সালে ‘বাগেশ্বরীশিল্প প্রবন্ধাবলী’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষায় লিখিত ভারতীয় নন্দন তত্ত্বের একটি আকর গ্রন্থ হিসাবে যা বিবেচিত হয়।
চিত্রকলায় ধারাবাহিকতায় লেখালেখির জগতেও আপন ঐতিহ্যের অনুরাগী ছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর । তিনি বেশ কিছু যাত্রাপালা ও পুথি রচনা করেন। যার মধ্যে ‘অরণ্যকান্ত পালা’ কঞ্জুশের পালা, কাক ও পানির পালা, ঋষিযাত্রা, মারুতির পুঁথি, চাইবুড়োর পুঁথি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ভারতীয় রীতিতে তার আঁকা প্রথম চিত্রাবলি ‘কৃষ্ণলীলা-সংক্রান্ত’। এই রীতি অনুসারী চিত্রশিল্পের তিনি নব জন্মদাতা। পরবর্তী কালে জাপানি প্রভাবে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর অঙ্কন করেন তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ওমর খৈয়াম (১৯৩০)চিত্রাবলি। চিত্রসাধনের শেষ পর্যায়ে তাঁর শিল্পচিন্তা নতুন মাত্রা লাভ করে। গড়ে তোলেন কুটুম কাটাম – আকার নিষ্ঠ এক বিমূর্ত রূপসৃষ্টি।

(Visited 8 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here