অযোধ্যার রায় পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ত্রিপুরায় বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক বিজেপির

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের যা-ই রায় হোক, মাথা পেতে নেবে বিজেপি। ফলে ত্রিপুরায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিজেপির প্রদেশ কমিটি এক বৈঠক করেছে। এদিনের বৈঠকে দলের এসসি মোর্চা, এসটি মোর্চা, ওবিসি মোর্চা, মহিলা মোর্চা, সংখ্যালঘু মোর্চা-সহ বিভিন্ন বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে অযোধ্যা রায়-পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

এ-বিষয়ে বিধায়ক ডা. দিলীপ দাস বলেন, রামমন্দির-বাবরি মসজিদ ইস্যুতে অযোধ্যা মামলায় আইনি লড়াই চলছে। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ওই মামলার যে কোনও দিন সুপ্রিমকোর্ট রায় ঘোষণা করবে। তিনি আরও বলেন, ‘সুপ্রিমকোর্ট অযোধ্যা মামলায় যা রায় দেবে, আমরা তা মাথা পেতে নেব। তাই, নির্দিষ্ট কোনও জাতিগোষ্ঠীর ওপর রায়ের প্রভাব যাতে না পড়ে সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। সুপ্রিমকোর্টের রায়ে কোনও একটি জাতির আনন্দে অন্যের ভাবাবেগে আঘাত লাগুক, তা আমরা চাই না। বিশেষ করে, ওই রায়ের ফলে ত্রিপুরায় শান্তি-সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হোক তা মোটেও কাম্য নয়।’

তাঁর আরও বক্তব্য, বিজেপি চাইছে অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর ত্রিপুরায় শান্তি-সম্প্রীতি বজায় থাকুক৷ সে-ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। ত্রিপুরায় শান্তি-সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে ম্লান হতে দেওয়া হবে না। অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে৷ তাই বিজেপির সমস্ত মোর্চাপ্রধানদের পাশাপাশি বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে এ-বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।’

অন্যদিকে বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি মহম্মদ জসিমউদ্দিন বলেন, ত্রিপুরার সমস্ত জাতি মিলে অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিমকোর্টের রায়কে স্বাগত জানানো হবে। উল্লেখ্য, ১৭ নভেম্বরের মধ্যে অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। দেশজুড়ে সেই রায়কে ঘিরে জটিল আবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে রাজনৈতিক মহল। রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ।

sweta

(Visited 16 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here