আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে কৃষি দফতরের উদ্যোগ

আধুনিক কৃষি যন্ত্র

কম জলে ধান রোয়ার কাজে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহারের আগ্রহ বাড়াতে উদ্যোগ নিল কৃষি দফতর

অপ্রতুল বৃষ্টিপাত ও জলাধার থেকে জল ছাড়া না হওয়ায় সেচ ক্যানেল থেকেও মিলছে না জল। এই পরিস্থিতির কারণে পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিঘ্নিত হচ্ছে খরিফ মরশুমের ধান রোয়ার কাজ। নির্দিষ্ট সময়ে জমিতে ধান রোয়ার কাজ শেষ করতে না পারায় দুশ্চিন্তায় বাড়ছে রাজ্যের শষ্য গোলার চাষীদের। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে কৃষি দফতর।

জেলার উপ কৃষি আধিকারিক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ কৃষি দফতরের অন্য কর্তারা সোমবার পৌছান ভাতার ব্লকের পালার গ্রামে। তারা সেখানকার চাষীদের সঙ্গে নিয়ে হাজির হন চাষের জমিতে। সিডার ও ট্যান্সপ্লান্টারের সাহায্যে অল্প জলে ধান রোয়ায় কাজ এদিন চাষীদের হাতে কলমে শিখিয়ে দিলেন জেলা কৃষি দফতরের আধিকারিকরা। সব দেখার পর ভাতারের চাষীরা জানালেন ,বৃষ্টিপাত অপ্রতুল থাকলেও যন্ত্রের সাহায্যেই তারা এখন ধান রোয়ার কাজ এগিয়ে নিয়েযেতে চান।

কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিয়ে জেলার চাষীদের উৎসাহ বাড়ানোর প্রচেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের কৃষি দফতর। জলের ঘাটতি জনিত পরিস্থিতিতেও চাষের কাজ এগিয়ে নিয়েযেতে এদিন থেকে ভাতারের চাষীরা আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে শুরু করলেন ধান রোয়ার কাজ। কৃষি দফতরের কর্তাদের কথায় জানাগেছে, ট্যান্সপ্লান্টার মেশিনের সাহায্যে একদিনে প্রায় কুড়ি বিঘা জমিতে ধান রোপন করা যায়। এই পদ্ধতিতে চাষ করলে চাষের কাজে কৃষি শ্রমিক কম লাগাবে। এছাড়াও কম লাগবে জল ও সার। ধানে পোকার আক্রমণও কম হবে।বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজ্যের শস্যগোলার কৃষকদের চাষের কাজে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের আগ্রহ বাড়ানোর প্রচেষ্টায় কোন খামতি রাখতে চাইছেনা জেলা কৃষি দফতর।

কৃষি আধিকারিক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, “এ বছর বর্ষা ভালো না হওয়ায় চাষে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ কিভাবে করাযায় এবং লাভ কি হবে তা ব্লকে ব্লকে গিয়ে চাষীদের বোঝান হচ্ছে। যন্ত্রের সাহায্যে চাষ করার কাজে চাষীদের আগ্রহ বাড়ছে।”

# বর্ধমান থেকে প্রদীপ চট্টোুপাধ্যায়ের রিপোর্ট। ছবি: সুদিন মণ্ডল।

(Visited 8 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here