তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ, রাতেই দিল্লি উড়ে গেলেন শোভন –বৈশাখী, বুধবার যোগ দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরে

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: নয় মাস আগে ছেড়েছেন মন্ত্রীত্ব, ছেড়েছেন মেয়র পদও। তারপর, বিধানসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে মঙ্গলবার সকালে দূত মারফৎ ইস্তফা দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। আর রাতেই বিশেষ বান্ধবী বৈশাখীকে সাথে নিয়ে কলকাতা থেকে উড়ে গেছেন দিল্লিতে। বিশেষ সূত্রে খবর, বুধবারই তাঁরা নয়াদিল্লিতে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সদর দফতরে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেবেন।

শোভন এবং বৈশাখীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা চলছিল অনেক দিন ধরেই। লোকসভা নির্বাচনের আগেই বিজেপি-র তরফে শোভনকে দলে টানার চেষ্টা শুরু হয়। লোকসভা নির্বাচনের ফল পরেই আবার নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়। এ বার আর বৈশাখী একা নন, শোভন নিজেও কথোপকথনে অংশ নেন। কিছুদিন আগে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি-র তদানীন্তন সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) রামলালের সঙ্গে তাঁরা বৈঠকে বসেন বলে জানা যায়। সে দিনই শোভন-বৈশাখীর সঙ্গে রামলাল আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে নিজের উত্তরসূরি বিএল সন্তোষের। তবে, কোনও পক্ষই ওই বৈঠকের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোথাও মুখ খোলেনি।

বিশেষ সূত্রে খবর, বিজেপিতে যোগদানের পরে কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বড়সড় সাংগঠনিক দায়িত্ব শোভনের উপরে ন্যস্ত হতে চলেছে। তবে, বিজেপির তরফে শোভনদের যোগদান বা দায়িত্বপ্রাপ্তির বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য আনুষ্ঠানিক ভাবে করা হয়নি। শোভন-বৈশাখীও মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে বসিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্নের সামনে দাঁড় করান শোভন। বৈশাখী যে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা, সেখানে তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। ওই সাংবাদিক সম্মেলনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, বৈশাখীকে হেনস্থা করার পিছনে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত রয়েছে।

(Visited 2 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here