ছাত্রের খোঁজ মিলল স্কুলের সেফটি-ট্যাংকে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | July 16, 2019 | 9:01 am
ছবি প্রতীকী

খেজুরিতে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের খোঁজ মিলল স্কুলের সেফটি-ট্যাংকে

খেজুরি: এক সপ্তাহ অর্থাৎ গত ৮ জুলাই বাড়ি থেকে টিউশান পড়তে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির তালপাটি কোস্টাল থানার ওয়াশিলচকের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পাত্র (১৭)। তারপর পরিবারের লোকজনেরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানালে পুলিশ কোনও তদন্তই করেনি বলে অভিযোগ।

বিশ্বজিৎ দক্ষিণ খেজুরি বানীমঞ্চ হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র ছিল। সোমবার ছেলেটির বাড়ির কাছাকাছি ওয়াশিলচকের অমৃত ভারতী স্কুলের পেছন থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় বাসিন্দারা চারিদিকে তন্নতন্ন করে খুঁজতে শুরু করেন। এরপর তাঁরা দুর্গন্ধের উৎস্য খুঁজতে গিয়ে স্কুলের সেপটিক ট্যাঙ্ক খুলতেই সবার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়। দেখা যায়, সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে রয়েছে একটি পচাগলা দেহ। খবর পেয়ে খেজুরির তালপাটি কোস্টাল থানার পুলিশ এসে দেহটিকে উদ্ধারের পর তাঁর পরনের পোশাক দেখে ছেলেটিকে শনাক্ত করে মৃতের পরিবার। এরপরেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ৮ জুলাই ছেলেটি নিখোঁজ হওয়ার পর খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে অমৃত ভারতী স্কুলের কাছ থেকে তাঁর সাইকেলটি উদ্ধার হয়। এরপর ১০ জুলাই পরিবারের তরফে নিখোঁজের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। ১১ জুলাই পুলিশ এই ঘটনায় এফআইআর করে। কিন্তু তারপর থেকে ছেলেটির খোঁজ পেতে কোনও তদন্তই চালায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও গোটা ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তালপাটি থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাটি খুনের বলেই মনে করা হচ্ছে। মৃত বিশ্বজিতের মায়ের অভিযোগ, প্রতিবেশী এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের চূড়ান্ত বিবাদ ছিল। ওই ব্যক্তি সহ তার দলবল প্রায়শই তাঁদের হুমকি দিত তাঁদের ছেলেকে তুলে নিয়ে যাবে বলে। ওই ব্যক্তিই তাঁর ছেলেকে এই পৃথিবীর থেকে সরিয়ে দিল বলে অভিযোগ মৃতের মায়ের। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট