সমগ্র উত্তর-পূর্ব রাজ্যে এনআরসি চালুর দাবিতে সরব NESO

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা সহ সমগ্র উত্তর-পূর্ব রাজ্যে এনআরসি প্রক্রিয়া চালু করা সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে সরব হল উত্তর-পূর্ব ছাত্র সংগঠন(NESO). শুক্রবার উত্তর-পূর্ব ছাত্র সংগঠন কার্যনির্বাহী বৈঠকে বিভিন্ন দাবি নিয়ে সরব হয় সংঠনের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করার পরেও সমস্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে এনআরসি চালু করার দাবিতে সরব হয় উত্তর-পূর্ব ছাত্র সংগঠন। সেইসঙ্গে তাদের পক্ষ থেকে উত্তর-পূর্বের প্রতিটি রাজ্যে ইনার লাইন পারমিটের দাবি তোলা হয়ছে। একই সঙ্গে সরকারি খাতে আঞ্চলিক লোকদের পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগের দাবি তুলেছেন সদস্যরা।

উত্তর-পূর্ব ছাত্র সংগঠনের শাখা সংগঠন এনই ছাত্রদের পক্ষ থেকেও নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড বেসরকারিকরণের পাশাপাশি উত্তর পূর্ব বৈদ্যুতিক বিদ্যুৎ কর্পোরেশন লিমিটেড নিষ্ক্রয়করণের জন্য কেন্দ্রের বিরোধিতা করা হয়। এটি ‘এক দেশ, এক ভাষা’ নীতি পাশাপাশি শিক্ষানীতিতেও কেন্দ্রের পদক্ষেপের বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

{আরও পড়ুন:বেসরকারি স্কুলগুলিতে ফি নির্দিষ্ট করার সিদ্ধান্ত আসামে}

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে উত্তর-পূর্ব ছাত্র সংগঠনের উপদেষ্টা সমজল ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমাদের দাবি যে উত্তর-পূর্বের সমস্ত রাজ্যে এনআরসি প্রক্রিয়া চালু হোক। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি অবশ্যই যেন এই অঞ্চলের স্বতন্ত্র রাজ্যে সাধারণত প্রয়োজনীয় রীতিগুলির মেনেই সম্পন্ন করতে হবে। এই জাতীয় প্রক্রিয়া চালু হলে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে এই অঞ্চলকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

পাশাপাশি সমজলবাবু বলেন, আসামে সম্প্রতি প্রকাশিত এনআরসি সম্পর্কে খুশি নয়, আসু(অল ইন্ডিয়া আসাম স্টুডেন্স’স ইউনিয়ন)। ইতিমধ্যেই আসুর পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে এনআরসি তথ্য পুনরায় পরীক্ষা করার জন্য আবেদন করেছেন আসু। আগামী নভেম্বর মাসে শুনানি শুরু হবে।

সমজলবাবু আরও বলেন, আমরা প্রথম থেকেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করে আসছি। উত্তর-পূর্ব-এর বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে।আগামী ১৮ নভেম্বর সংগঠনের পক্ষ থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করে রাজ্যপালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ জানানো হবে।

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে উত্তর-পূর্ব ছাত্র সংগঠনের উপদেষ্টা বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে উত্তর-পূর্বের মানুষের সঙ্গে তাদের অনুভূতি নিয়ে খেলার কোনও অধিকার কেন্দ্রের নেই।

সংগঠনের চেয়ারম্যান স্যামুয়েল জিরোয়া বলেন, “এখানকার জনগণের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচনা করার জন্য একটি আন্দোলনের প্রয়োজন রয়েছে। সেইসঙ্গে তাঁর দাবি, আমরা চাই যে এখানে প্রতিটি রাজ্যে সমস্ত প্রযুক্তিগত, অ-প্রযুক্তিগত এবং পেশাদার কোর্স চালু হোক।
সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ত্রিপুরায় কার্যনির্বাহী কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

bipasha

(Visited 28 times, 1 visits today)

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here