বিজেপি নেতাকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ২

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক | July 14, 2019 | 6:25 pm

মন্তেশ্বরে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ও মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার ২

পূর্ব বর্ধমান: বিজেপির প্রাক্তন মন্ডল সভাপতিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। অভিযোগের তির বিজেপির এক যুবনেতা সহ অন্যান্য কর্মীদের বিরুদ্ধে। মন্তেশ্বরের এমনিই এক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শনিবার সন্ধ্যার দিকে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ এই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করছে। ধৃতদের নাম জটায়ু রায় ও দেবোজ্যোতি মুখার্জী। দুজনেরই বাড়ি স্থানীয় কুলি গ্রামে। রবিবার তাঁদের কালনা মহকুমা আদালতে তোলা হয়। অন্য দুইজন পলাতক বলে জানা যায়। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের, দাবি এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি দলের কোনো সম্পর্ক নেই।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, মন্তেশ্বরের বাসিন্দা দেবকীনন্দন গণ একসময় বিজেপির মণ্ডল সভাপতির পদে ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর দলেরই দুই নেতা সহ অন্য কর্মীরা তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছে। এরপরেই শনিবার বিকেলের দিকে তাঁকে মারধর করে, দোকান ভাঙচুর ও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। যদিও এই ঘটনায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। এই ঘটনায় তিনি মন্তেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। দেবকীনন্দনবাবু এই বিষয়ে বলেন, ‘বেশ কয়েকদিন ধরেই আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছে পিল্লেশ্বর চ্যাটার্জী, চিন্ময় রায়, জটায়ু রায়, দেবোজ্যোতি মুখার্জীরা। ওরা আমার দোকানে ভাঙচুরও করে। আমাকে রড ও লাঠি দিয়ে মারধোর করে। আমাকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায়। আমি ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যাই। মন্তেশ্বর থানায় আভিযোগ দায়ের করেছি।’

পিল্লেশ্বর চ্যাটার্জী বর্তমানে বিজেপির মন্তেশ্বরের ১৪ নং মন্ডলের যুব সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি। যদিও এই ঘটনার বিষয়ে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রাজেশ রায় জানান, ‘এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি দলের কোনও সম্পর্ক নেই। ওদের নিজেদের ব্যক্তিগত রেষারেষির জেরেই একটা ঘটনা ঘটেছে। তবে একে অপরকে মারধর করেছে বলে জানতে পারি।’ মন্তেশ্বর থানার এক পুলিশ আধিকারিক বলেন মারধর ও গুলি ছোড়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ক্লিক করুন এখানে, আর চটপট দেখে নিন ৪ মিনিটে ২৪টি টাটকা খবরের আপডেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *